প্রিন্ট এর তারিখঃ অক্টোবর ২০, ২০২৬, ৯:৫৭ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ অক্টোবর ৪, ২০২৬, ৯:২৮ পি.এম
কোন সংবিধানে লেখা আবাসন না থাকলে চাকরি হবে না : শিক্ষামন্ত্রী

স্থায়ী আবাসন বা নিজস্ব বসতভিটা না থাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ আটকে যাওয়া মিশন আচার্যকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
রোববার (৪ অক্টোবর) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের এক কর্মকর্তার সঙ্গে মোবাইল ফোনে আলাপকালে মন্ত্রী জানতে চান, স্থায়ী আবাসন না থাকলে কাউকে শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া যাবে না, এমন কোনো বিধান বা সার্কুলার রয়েছে কি না।
কথোপকথনের অডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, আবাসন না থাকলে আপনারা বানিয়ে দেবেন। কোন কনস্টিটিউশনে লেখা আছে, আবাসন না থাকলে চাকরি দেওয়া যাবে না?
মন্ত্রী আরও বলেন, স্থায়ী ঠিকানা নিয়োগের শর্ত হলে যাদের নিজস্ব জায়গা-জমি নেই, তাদের চাকরির সুযোগ কীভাবে থাকবে। তিনি প্রশ্ন করেন, যার জায়গা-জমি নেই, সে শিক্ষক হতে পারবে না— এটা কি কোথাও লেখা আছে?
মিশনের নিয়োগ আটকে দেওয়ার বিষয়ে অধিদফতরের মতামত চাওয়া হয়েছিল বলে ওই কর্মকর্তা জানালে, মন্ত্রী মতামতের নথি কবে পাঠানো হয়েছে এবং সিদ্ধান্তের ভিত্তি কী, তা জানতে চান।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন মিশন আচার্যকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি লেখেন, ‘মিশন আচার্য নিয়োগপত্র হাতে পেতে যাচ্ছে... মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’
মিশন ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫’-এ মেধার ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। তার রোল নম্বর ৬৫১৫৩২৮। একই সময়ে সুপারিশ পাওয়া ১৮২ জনের মধ্যে ১৮০ জন নিয়োগপত্র পেলেও স্থায়ী বসতভিটা না থাকায় তার নিয়োগ আটকে যায়।
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কলাবাগানে ভাড়া বাসায় বেড়ে ওঠা মিশনের পুলিশি যাচাইয়ে বর্তমান ঠিকানার তথ্য সঠিক পাওয়া যায়। আর্থিক সংকটের মধ্যেও তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিংয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে এখন তার নিয়োগ জটিলতা নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
Copyright © 2026 tigerexpress24.com. All rights reserved.