• মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২১ পূর্বাহ্ন
Headline
যাত্রীদের লাইভ লাগেজ মনিটরিং কার্যক্রম পরিদর্শনে বিমানবন্দরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী – দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী নিরলস কাজ করছে – নারায়ণগঞ্জে আইজিপি দুই বিমানবন্দরে প্রায় ৫ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার রণবীর নয়, কার সঙ্গে পূজা দেখতে গেলেন আলিয়া? সালমানের সঙ্গে যে কাজ করবে সেই পরবর্তী লক্ষ্য (বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হুমকি) জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর তিন জেলায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাক হোসেনের রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংকের এমডির চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল দেশবাসী তাকিয়ে আছে কবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন: নাহিদ ইসলাম

নাচে অপমানিত ক্যাটরিনা, সেই কথাই হয়ে ওঠে বদলের কারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৫ Time View
Update : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

Link Copied !

বলিউডে নিজের সৌন্দর্য ও অভিনয় দিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন ক্যাটরিনা কাইফ। সময়ের সঙ্গে একের পর এক সফল সিনেমায় দেখা গেছে তাকে। তবে ক্যারিয়ারের শুরুতে শুধু প্রশংসা নয়, নানা ধরনের কটাক্ষও শুনতে হয়েছে এই অভিনেত্রীকে। এমনকি নাচের দক্ষতা নিয়েও তাকে অপমানজনক মন্তব্যের মুখে পড়তে হয়েছিল। সম্প্রতি এক পডকাস্টে হাজির হয়ে সেই পুরোনো দিনের কথা সামনে আনেন জনপ্রিয় কোরিওগ্রাফার ফারাহ খান। অনুষ্ঠানে তার সঙ্গে ছিলেন কোরিওগ্রাফার বস্কো মার্টিস। আলোচনার একপর্যায়ে উঠে আসে ক্যাটরিনার নাচ শেখার সময়কার নানা অভিজ্ঞতা।

বস্কো জানান, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে এক কোরিওগ্রাফার ক্যাটরিনাকে বলেছিলেন, নাচ তার জন্য নয়। কঠোর পরিশ্রম করেও এমন মন্তব্য শুনতে হয়েছিল অভিনেত্রীকে। ওই কোরিওগ্রাফারের দাবি ছিল, নাচে ক্যাটরিনা ‘শূন্য’ এবং তার নাচ ছেড়ে দেওয়া উচিত। তবে সেই মন্তব্য যে শেষ পর্যন্ত ক্যাটরিনার আত্মবিশ্বাস ভেঙে দিতে পারেনি, তার প্রমাণ মেলে পরবর্তী সময়ে। ফারাহ খানের কোরিওগ্রাফিতে ‘শিলা কি জওয়ানি’ গানে দুর্দান্ত নাচ করে দর্শকদের চমকে দেন ক্যাটরিনা। গানটি তার ক্যারিয়ারে নাচের ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন এনে দেয় বলেও মনে করেন বস্কো।

ফারাহ জানান, ‘শিলা কি জওয়ানি’ ছিল তার কোরিওগ্রাফ করা গানগুলোর মধ্যে তুলনামূলকভাবে কম বাজেটের একটি কাজ। মাত্র ১০ জন নৃত্যশিল্পী ও ক্যাটরিনাকে নিয়ে গানটির শুটিং করা হয়েছিল। তার মতে, এই গান দিয়েই নৃত্যশিল্পী হিসেবে ক্যাটরিনার নতুন পরিচয় তৈরি হয়।

ক্যাটরিনার নাচের দক্ষতা নিয়ে তখন ফারাহ নিজেও খুব বেশি জানতেন না। তার ভাষায়, ‘টাচ মি’ গানে ক্যাটরিনা নেচেছিলেন ঠিকই, কিন্তু তখনও তাকে নৃত্যশিল্পী হিসেবে আলাদা করে ভাবা হতো না। ক্যাটরিনার জন্য ফারাহর কোরিওগ্রাফ করা প্রথম গান ছিল ‘জাস্ট চিল’।

বস্কোর মুখে পুরোনো সেই কটাক্ষের কথা শুনে ফারাহও কিছুটা অবাক হন। ক্যাটরিনাকে কখনোই পুরোপুরি ‘শূন্য’ বলে মনে করেন না তিনি। বরং মজা করে বলেন, শুরুতে হয়তো তাকে চার বা পাঁচ নম্বর দেওয়া যেত। কিন্তু ‘শিলা কি জওয়ানি’র পর নাচের ক্ষেত্রে ক্যাটরিনা ৯ কিংবা ১০-এর পর্যায়ে চলে যান।

এরপর একে একে তার ঝুলিতে আসে ‘চিকনি চমেলি’, ‘কালা চশমা’র মতো জনপ্রিয় ডান্স নম্বর। এসব গানে ক্যাটরিনার পারফরম্যান্স দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

তবে পুরোনো সেই নেতিবাচক মন্তব্য ক্যাটরিনাকে একসময় বেশ প্রভাবিত করেছিল। তিনিও বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন, হয়তো সত্যিই তাকে দিয়ে নাচ হবে না। সেই সময় বস্কোর উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। বলা যায়, সেই উৎসাহই আত্মবিশ্বাস ফিরে পেতে ক্যাটরিনাকে সাহায্য করে। পরবর্তী সময়ের একের পর এক জনপ্রিয় নাচের গানই হয়ে ওঠে তার সেই আত্মবিশ্বাসের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category