• মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন
Headline
যাত্রীদের লাইভ লাগেজ মনিটরিং কার্যক্রম পরিদর্শনে বিমানবন্দরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী – দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী নিরলস কাজ করছে – নারায়ণগঞ্জে আইজিপি দুই বিমানবন্দরে প্রায় ৫ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার রণবীর নয়, কার সঙ্গে পূজা দেখতে গেলেন আলিয়া? সালমানের সঙ্গে যে কাজ করবে সেই পরবর্তী লক্ষ্য (বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হুমকি) জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর তিন জেলায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাক হোসেনের রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংকের এমডির চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল দেশবাসী তাকিয়ে আছে কবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন: নাহিদ ইসলাম

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়াই একমাত্র স্থায়ী সমাধান: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩০ Time View
Update : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

Link Copied !

দীর্ঘ নয় বছরেরও বেশি সময়। এক বুক আশা আর ভিটেমাটি হারানোর যন্ত্রণা নিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিল লাখ লাখ রোহিঙ্গা। মানবিকতার খাতিরে সেদিন সীমান্ত খুলে দিলেও, এই বিপুল জনগোষ্ঠীর ভারে আজ রীতিমতো হাঁসফাঁস করছে বাংলাদেশের অর্থনীতি, পরিবেশ ও স্থানীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এমন এক দমবন্ধ করা প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে বাংলাদেশের অবস্থান একেবারে স্পষ্ট করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে জানিয়ে দিলেন, যে সংকটের জন্ম মিয়ানমারে, তার সমাধানও সেখানেই হতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া এক জোরালো ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এই বার্তা দেন। বিশ্বনেতাদের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি সুস্পষ্ট ভাষায় তুলে ধরেন বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতার কথা।

ভাষণে রোহিঙ্গা ইস্যুর বিস্তারিত প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশকে দীর্ঘ ৯ বছরেরও বেশি সময় ধরে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিতে হচ্ছে। ফলে আমাদের সম্পদ, পরিবেশ, নিরাপত্তা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। জনবহুল বাংলাদেশ মনে করে, রোহিঙ্গা সংকটের উৎস ও উৎপত্তি মিয়ানমারে; তাই এর সমাধানও সেখানেই নিহিত। বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে নিরাপদে ফিরিয়ে নেওয়াই এই সমস্যার একমাত্র সমাধান।’

শুধুমাত্র প্রত্যাবাসনই নয়, যতদিন না এই সমস্যার যৌক্তিক সমাধান হচ্ছে, ততদিন রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তার বিষয়টিও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজরে আনেন তিনি।

বিশ্ববিবেকের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, ‘এই সংকটের চূড়ান্ত সমাধানের জন্য বাংলাদেশ জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃঢ় এবং কার্যকর সমর্থন প্রত্যাশা করে। পাশাপাশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়ার আগ পর্যন্ত তাদের জীবনরক্ষাকারী সহায়তা কর্মসূচি অব্যাহত রাখার জন্যও আমি জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাই। বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ব্যর্থ হলে অদূর ভবিষ্যতে এটি এক মানবিক সংকটে রূপ নিতে পারে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category