• মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন
Headline
যাত্রীদের লাইভ লাগেজ মনিটরিং কার্যক্রম পরিদর্শনে বিমানবন্দরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী – দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী নিরলস কাজ করছে – নারায়ণগঞ্জে আইজিপি দুই বিমানবন্দরে প্রায় ৫ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার রণবীর নয়, কার সঙ্গে পূজা দেখতে গেলেন আলিয়া? সালমানের সঙ্গে যে কাজ করবে সেই পরবর্তী লক্ষ্য (বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হুমকি) জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর তিন জেলায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাক হোসেনের রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংকের এমডির চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল দেশবাসী তাকিয়ে আছে কবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন: নাহিদ ইসলাম

নেপালের রাষ্ট্রদূতের সাথে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪১ Time View
Update : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

Link Copied !

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সাথে নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। আজ বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিস কক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠককালে উভয় দেশের প্রতিনিধি দ্বিপক্ষীয় ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধির আশ্বাস প্রদান করেন।

​সাক্ষাৎকালে নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী বলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অনেক মিল রয়েছে এবং উভয় দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি প্রায় একই রকম। শিক্ষাখাতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে ২,৫০০ এর বেশি নেপালী শিক্ষার্থী চিকিৎসাবিদ্যায় পড়াশোনা করছেন। শিক্ষার এই ক্ষেত্রে সহায়তার সুযোগ আরও সম্প্রসারণ করা সম্ভব। এছাড়া, রাষ্ট্রদূত নেপালে সম্প্রতি সংঘটিত ভয়াবহ বন্যার চিত্র তুলে ধরে জানান, বন্যাদুর্গত এলাকাগুলোর পুনর্নির্মাণের জন্য প্রায় ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন। এ প্রেক্ষাপটে তিনি বাংলাদেশের সার্বিক সহযোগিতার আহ্বান জানান।

​নেপালের প্রস্তাবের জবাবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেন, নেপাল বাংলাদেশের এক বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত বন্ধু রাষ্ট্র। বাংলাদেশ সবসময় নেপালের পাশে রয়েছে এবং যেকোনো প্রয়োজনে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা প্রদান করবে।

​আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক)-কে পুনরায় সক্রিয় ও পুনরুজ্জীবিত করতে নেপালের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, বৈশ্বিক বিভিন্ন ফোরামে বাণিজ্য, জলবায়ু পরিবর্তনসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে আঞ্চলিক দেশগুলো এককভাবে কথা না বলে যদি সম্মিলিতভাবে আওয়াজ তোলে, তবে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূভাবে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হবে।

​দুই দেশের বাণিজ্য সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী আঞ্চলিক ও দ্বিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, আঞ্চলিক বাণিজ্য বৃদ্ধি পেলে প্রতিবেশী দেশগুলো তুলনামূলক সুবিধা পাবে, পরিবহন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং পণ্যের সঠিক মূল্য নিশ্চিত হবে। এর ফলে সাধারণ মানুষের প্রকৃত আয় বৃদ্ধি পাবে এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। একই সাথে, বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে নিজেদের দেশীয় শিল্প ও অর্থনীতিকে সুরক্ষা দেওয়া অনেক সহজ হবে।

​সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষই বন্ধুপ্রতীম দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও বহুমুখী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category