• মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২২ পূর্বাহ্ন
Headline
যাত্রীদের লাইভ লাগেজ মনিটরিং কার্যক্রম পরিদর্শনে বিমানবন্দরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী – দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী নিরলস কাজ করছে – নারায়ণগঞ্জে আইজিপি দুই বিমানবন্দরে প্রায় ৫ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার রণবীর নয়, কার সঙ্গে পূজা দেখতে গেলেন আলিয়া? সালমানের সঙ্গে যে কাজ করবে সেই পরবর্তী লক্ষ্য (বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হুমকি) জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর তিন জেলায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাক হোসেনের রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংকের এমডির চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল দেশবাসী তাকিয়ে আছে কবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন: নাহিদ ইসলাম

চিংড়ি রপ্তানিতে গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে —-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪০ Time View
Update : শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬

Link Copied !

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, চিংড়ি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি পণ্য। এ খাতের সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগাতে গুণগত মান, উৎপাদনশীলতা, পরিবেশগত স্থায়িত্ব ও শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির জন্য উন্নত মৎস্যচাষ পদ্ধতি, চিংড়ির স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান অনুসরণ করা অপরিহার্য।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরাটন ঢাকা হোটেলে ‘বিল্ডিং আ রেজিলিয়েন্ট অ্যান্ড ইনক্লুসিভ শ্রিম্প সাপ্লাই চেইন’ শীর্ষক সংলাপে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), মন্টেরে বে অ্যাকোয়ারিয়াম (এমবিএ) এবং বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএফইএ) সদস্য প্রতিষ্ঠান টোটালফুড প্রসেসিং (প্রা.) লিমিটেড যৌথভাবে এ সংলাপের আয়োজন করে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় টেকসই মৎস্যচাষ প্রসার, উৎপাদনমান উন্নয়ন, জলজ প্রতিবেশব্যবস্থার সুরক্ষা এবং চাষিদের সহায়তায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, চিংড়ি খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং এ খাতের মূল্য শৃঙ্খল শক্তিশালী করতে মন্ত্রণালয়, বেসরকারি খাত ও উন্নয়ন সহযোগীদের সাথে কাজ অব্যাহত থাকবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট সি ফুড রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে চিংড়ি রপ্তানি থেকে এসেছে ৩০৬ মিলিয়ন ডলার। এসব রপ্তানি দেশের জন্য মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পাশাপাশি উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং হাজার হাজার চিংড়িচাষি ও শ্রমিকের জীবিকা নির্বাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

শেফদের বাংলাদেশ সফরের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ ধরণের উদ্যোগ বাংলাদেশের চিংড়ি উৎপাদকদের আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভে সহায়তা করবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি, পারস্পরিক আস্হা অর্জন এবং উন্নত বাজারে প্রবেশের সুযোগ সম্প্রসারণেও ভূমিকা রাখবে।

তিনি বাংলাদেশের চিংড়ি খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক, টেকসই ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত করে তুলতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধিদলের উন্নয়ন সহযোগিতা বিভাগের প্রধান মিশাল ক্রেয়জা (Dr. Michal Krejza), সমাপনী বক্তব্য দেন আইএলও বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স তুনন (Max Tuñón)।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category